Featured Posts

Most selected posts are waiting for you. Check this out

 কোহলির জন্য বল করছেন আনুশকা

কোহলির জন্য বল করছেন আনুশকা


কোহলির জন্য বল করছেন আনুশকা


একটি ভিডিও লকডাউন অমান্য করে ভাইরাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কয়েক সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভবন চত্বরে বল করছেন বলিউড তারকা আনুশকা শর্মা। আর ব্যাট হাতে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। চার বা ছয় মারার জায়গা নেই। অল্প জায়গাতেই ব্যাটিং অনুশীলন করছেন কোহলি। ফিল্ডার তো কেউ নেই। ব্যাটিং করে নিজেই বল ছুড়ে দিচ্ছেন ৩২ বছর বয়সী ‘বোলার’ আনুশকার কাছে।

 পাক্কা বোলারের মতোই ক্যাচ ধরছেন, বল করছেন আনুশকা। ফিল্মফেয়ার ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছে, ‘বিরাটের জীবনসঙ্গী নিশ্চিত করছেন, সে যেন লকডাউনেও ঠিকমতো ব্যাটিং অনুশীলন করে।’  আনুশকার ইনস্টাগ্রামে একবার ঢুঁ দিলেন আপনি বুঝে যাবেন, ভারতের জনপ্রিয় এই তারকা দম্পতি লকডাউনের শতভাগ সুফল নিচ্ছেন। তাঁরা একসঙ্গে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন। কখনো আনুশকা বিরাটের চুল কেটে দিচ্ছেন। কখনোবা বাবা–মাকে সঙ্গে নিয়ে মনোপলি খেলছেন।


দুজন একসঙ্গে অনলাইনে একটা একাডেমির পঞ্চাশ হাজার ছাত্রের উদ্দেশে ভাষণও দিয়েছেন। আর কোহলিকে চার মারতে বলছেন আনুশকা, এই ভিডিও তো কেবল আনুশকার ইনস্টাগ্রামেই দেখা হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখের বেশিবার নিশ্চিতভাবেই লকডাউনে কোয়ারেন্টিনে ঘরে বসে এই ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের মন পড়ে আছে ২২ গজের পিচে, মাঠে। তাই ‘কোহলি, এই কোহলি, কোহলি। চার মার না, কী করছিস! এই কোহলি, চার মার’—এভাবেই কোহলিকে ‘খেলার মাঠের আবহে’ চার মারতে বলেছেন আনুশকা।

আর নিজেদের ঘরে পাশে বসে থাকা কোহলি এমনভাবে আনুশকার দিকে তাকিয়েছেন, যেন মাথা খারাপ হয়ে গেছে আনুশকার। আর এবার জানা গেল, কেবল চার মারতে বলেই ক্ষান্ত দেননি, কোহলির জন্য বলও তুলে নিয়েছেন আনুশকা।এর আগে ক্রিকেট মাঠে ভরা গ্যালারিতে, শত শত তাক করা ক্যামেরার সামনে সেঞ্চুরির পর ব্যাটে উড়ন্ত চুমু এঁকে তা পাঠিয়েছেন গ্যালারিতে খেলা দেখতে আসা আনুশকার দিকে। কে জানে, বিশ্বসেরা বোলারদের বলে চার–ছক্কা হাঁকানো ৩১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের কেমন লাগে বলিউড তারকার বলে ব্যাটিং করতে!

 বলিউডে বিয়ের ধুম ২০২১ সালে

বলিউডে বিয়ের ধুম ২০২১ সালে


বলিউডে বিয়ের ধুম ২০২১ সালে

২০২০ সালটা বলিউডের জন্য আরেকটি সানাই বাজা, ঢাকঢোল পেটানো, আলো–ঝলমলে মহাসমারোহের বিয়ের বছর হওয়ার কথা ছিল। অন্তত তিনটি জুটির বিয়ের তারিখ মোটামুটি ঠিক হয়েছিল। আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর, বরুণ ধাওয়ান ও নাতাশা দালাল আর রিচা চাড্ডা ও আলী ফজল। কিন্তু করোনার কারণে আপাতত বিয়ের কথা ভুলে থাকতে হচ্ছে এই তারকা জুটিদের। তবে ২০২১ নাকি হাতে পারে তিন জুটিরই বিয়ের বছর!

ধাওয়ান পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র বলিউড হাঙ্গামাকে বলেছে, ধাওয়ান ও দালাল পরিবারের পক্ষ থেকে সব আয়োজনের ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। একাধিকবার আলোচনায়ও বসেছিল এই পরিবার। তবে আপাতত এসব নিয়ে ভাবছে না এই দুই পরিবার। ২০২১ সালে সব স্বাভাবিক হলে নতুন করে বিয়ের আয়োজন নিয়ে ভাববে তারা।

ধাওয়ান পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র বলিউড হাঙ্গামাকে বলেছে, ধাওয়ান ও দালাল পরিবারের পক্ষ থেকে সব আয়োজনের ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। একাধিকবার আলোচনায়ও বসেছিল এই পরিবার। তবে আপাতত এসব নিয়ে ভাবছে না এই দুই পরিবার। ২০২১ সালে সব স্বাভাবিক হলে নতুন করে বিয়ের আয়োজন নিয়ে ভাববে তারা

রিচা চাড্ডা ও আলী ফজল। ছবি: ইনস্টাগ্রামরিচা চাড্ডা ও আলী ফজল। ছবি: ইনস্টাগ্রামঅন্যদিকে রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের বিয়েটা আটকে ছিল ঋষি কাপুরের অসুস্থতায়। কথা ছিল, রণবীরের বাবা ঋষি কাপুর একটু সুস্থ হয়ে উঠলেই বিয়ের বাদ্য বাজবে এই দুই পরিবারে। কিন্তু ঋষি কাপুর অসুস্থ থাকা অবস্থায় শুরু হলো লকডাউন। আর লকডাউনেই চলে গেলেন ঋষি। তবে প্রেমিকের বাবার মৃত্যুতে পুত্রবধূর সব দায়িত্বই পালন করেছেন আলিয়া ভাট। আর লকডাউনে এক ছাদের নিচে থাকছেন এই জুটি। তবে ভাট ও কাপুর পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২১ সালের দ্বিতীয় ভাগে হবে এই জুটির বিয়ে।

অন্যদিকে রণবীর-আলিয়া বা বরুণ-নাতাশা জুটিকে পেছনে ফেলে সবার আগেই গত ১৫ এপ্রিল চার হাত এক করার কথা ছিল রিচা চাড্ডা ও আলী ফজল জুটির। কোথায় কী অনুষ্ঠান হবে, কত দিন ধরে হবে, কী পদ খাওয়ানো হবে, কী গান বাজবে, কারা আসবে, কারা নাচবে—সব ঠিক ছিল। কিন্তু সব এলোমেলো করে দিল কোভিড-১৯। সবকিছু স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই ২০২১ সালে বিয়ে করবেন এই জুটি।
অর্থাৎ, ২০২০ সাল নয়, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২১ সাল হতে চলেছে বলিউডের বিয়ের বছর।

আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিপাকে তামান্না

আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিপাকে তামান্না

আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিপাকে তামান্না


সারা আলী খান ফুরাতে পারলেন না, অন্তর্জালের দুনিয়ায় ট্রলের নাট্যমঞ্চে আবির্ভূত হলো নতুন নাম। তিনি দক্ষিণি সুপারস্টার তামান্না ভাটিয়া। সারা কেরালার মৃত হাতির একটা পোস্ট শেয়ার করে, দুঃখ প্রকাশ করে ট্রলের শিকার হয়েছিলেন। নেটিজেনদের ব্যাপক ট্রলের মুখে কিছুক্ষণের মধ্যে পোস্টটি সরিয়েও নেন। এবার তামান্না ভাটিয়া হ্যাশট্যাগ 'ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটারস' দিয়ে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর চলতি আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। এ জন্য নিজের একটা সাদা–কালো নগ্ন ছবি পোস্ট করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন ৩০ বছর বয়সী এই দক্ষিণ ভারতীয় তারকা।

তামিল ও তেলেগু সিনেমার এই অভিনয়শিল্পীর ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুখে কালো কালিতে হাতের ছাপ। গলা কালো কালিতে অঙ্কিত। ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৯৩ হাজার লাইক পরা এই ছবির ক্যাপশনে এই 'বাহুবলী' তারকা লিখেছেন, 'আপনার নীরবতা আপনাকে সুরক্ষা দিতে পারবে না। পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষ ও প্রাণীর প্রয়োজন আছে। কারও মুখ চেপে ধরা বা হটিয়ে দেওয়ার অর্থ প্রকৃতির নিয়ম ভাঙা। আমাদের অবশ্যই আগের সব অনুশীলন ভুলে আবার মানুষ হওয়া শিখতে হবে। ধৈর্য ও সহনশীলতা নিয়ে সব মানুষ ও পরিবেশের সব উপাদানের কারও ক্ষতি না করে বাঁচতে জানতে হবে।'



এই ছবির নিচের মন্তব্যগুলো এমন, 'ইনিই সেই দুমুখো সাপ, যিনি রং ফর্সাকারী ক্রিমের বিজ্ঞাপন করেছিলেন।', 'এই সব ভন্ডকে চিনে নিন। মুখ আর মুখোশ আলাদা, শুধু আলাদা নয়, বিপরীত।' 'ও, আপনার ঘুম ভেঙেছে?', 'এত দিন কোথায় ছিলেন? মেকাপ লাগাচ্ছিলেন? ভন্ড, প্রতারক!'।

অবশ্য ভালো মন্তব্য যে নেই, তা নয়।

সুস্থ হয়েই আন্দোলনে নার্গিস ফখরি

সুস্থ হয়েই আন্দোলনে নার্গিস ফখরি

সুস্থ হয়েই আন্দোলনে নার্গিস ফখরি


‘রকস্টার’খ্যাত বলিউড তারকা নার্গিস ফখরির জন্য গত দুই মাস মোটেও সহজ ছিল না। মার্কিন মুলুকে শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। এমনকি অনেকেই আশঙ্কা করছিলেন, মাত্র ৪০ বছরেই বুঝি বলিউডকে বিদায় বলার সময় চলে এসেছে তাঁর। তবে এখন বেশ সুস্থ বোধ করছেন নার্গিস। আর সুস্থ হয়েই রাস্তায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তিনি।

নার্গিস ফখরি। ছবি: ইনস্টাগ্রামনার্গিস ফখরি। ছবি: ইনস্টাগ্রামনার্গিস ফাকরিকে বড় পর্দায় সবশেষ দেখা গেছে এক বছরের বেশি সময় আগে। শচীন যোশির সঙ্গে, আমাওয়াস ছবিতে। ছবিটি মোটেও আলোচনায় আসতে পারেনি। তারপর থেকেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিজেকে সরিয়ে নেন নার্গিস। নিজের অসুস্থতা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নার্গিস বলেন, ‘হ্যাঁ, যা বলছেন, তা সত্যি। আমি মারাত্মক অসুস্থ ছিলাম। আর এটাও সত্যি যে আমার অসুস্থতা নিয়ে আমি গণমাধ্যমে আলাপ করতে চাই না। এতটুকু বলতে পারি, চিন্তার কিছু নেই। আমি এখন বেশ ভালো আছি। স্বাস্থ্যই যে সকল সুখের মূল, এ কথার মর্মার্থ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এখানে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। আমি এই মুহূর্তে এই আন্দোলনের সমর্থনে রাস্তায়। তাই আর কথা বলতে পারছি না।’


২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ‘মিউজিক ফর পিস’ কনসার্টে ‘শান্তির দূত’ হয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন নার্গিস। কথা ছিল, শাকিব খানের সঙ্গে ছবিও করবেন। কিন্তু সেই আওয়াজ মিলিয়ে গেছে। এই বিষয়ে আর কোনো ‘রা’ নেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের।

 শহিদের রান্না খেয়ে মুগ্ধ তাঁর স্ত্রী

শহিদের রান্না খেয়ে মুগ্ধ তাঁর স্ত্রী


শহিদের রান্না খেয়ে মুগ্ধ তাঁর স্ত্রী


কথায় বলে, কারও হৃদয়ে ঢোকার সহজ পদ্ধতি নাকি পাকস্থলী। অর্থাৎ, মানুষটাকে ভালো খাওয়ান, তিনি ঠিকই তাঁর হৃদয়ে আপনার জন্য জায়গা খালি করতে বাধ্য। বলিউড তারকা শহিদ কাপুরও তাই করলেন। স্ত্রীর জন্য রান্না করলেন পাস্তা। আর স্ত্রী মীরা রাজপুত যে খুশিতে বাগবাগ, তা তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিই বলে দিচ্ছে।
২০১৫ সালের ৭ জুলাই বিয়ের পর গত পাঁচ বছরে মীরা রাজপুতের মহাব্যস্ত তারকা জীবনসঙ্গী এই কোয়ারেন্টিনে স্ত্রীর জন্য রান্নার সময় বের করেছেন। পাস্তা রেঁধেছেন। সেই পাস্তার ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে মীরা লিখেছেন, ‘পাঁচ বছরে এই প্রথম আমার জীবনসঙ্গী পাস্তা রাঁধল। আর বিশ্বাস করুন, এটিই আমার জীবনে খাওয়া সেরা পাস্তা।’ হ্যাশট্যাগে নো বায়াস লিখে এ–ও জানিয়েছেন, নিজের জীবনসঙ্গী বলে পক্ষ নিয়ে সাফাই গাচ্ছেন না। সত্যিই বড় পর্দার এই ‘কবির সিং’–এর রান্না খেয়ে তিনি মুগ্ধ।
১৪ বছর বয়সের পার্থক্যকে কাঁচকলা দেখিয়ে দিব্যি দুই সন্তান মিশা ও জৈনকে নিয়ে সুখের ঘর করছেন বলিউড তারকা শহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। লকডাউন শুরুর আগে শহিদ কাপুর ‘জার্সি’ সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ব্যাট হাতে খেলতে গিয়ে মুখে মারাত্মক আঘাতও পান। মুখে ১৭টি সেলাই নিয়ে মাস্ক দিয়ে ঢেকে যতটা সম্ভব আলোকচিত্রীদের থেকে নিজেকে আড়াল করে বাড়ি ফিরেছিলেন। তারপর দ্রুত সুস্থ হয়ে নিজেই জানিয়েছেন সেই খবর। এর মধ্যেই সারা বিশ্বে শুরু হলো করোনার হানা। বাদ গেল না ভারতও। আর লকডাউন যেন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে ২৫ বছর বয়সী স্ত্রী মীরার জীবনে। শহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।শহিদ কাপুর ও মীরা রাজপুত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।‘শহিদের সময় নেই’—এটাই ছিল গত পাঁচ বছরে তাঁর সবচেয়ে বড় অভিযোগ। আর এখন শহীদ কাপুর নিয়মিত প্যানকেক বানিয়ে খাওয়াচ্ছেন। মীরা পায়ের ওপর পা তুলে বসে সেই প্যানকেকের জন্য অপেক্ষারত ছবিও পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। থালাবাটিও নাকি ধুচ্ছেন শহিদ। লকডাউনে যে এগুলো করবেন, প্রথমেই ভক্তদের সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘ঘরে থেকে ঘরের কাজ করুন। পরিবারকে সময় দিন। লকডাউন হোক আপনার জীবনের সেরা সময়।’
লকডাউনে কত–কী করছেন জ্যাকুলিন!

লকডাউনে কত–কী করছেন জ্যাকুলিন!

লকডাউনে কত–কী করছেন জ্যাকুলিন!


সাধারণ মানুষের পাশাপাশি লকডাউনে ঘরে বসে বসে বিরক্ত বলিউড তারকারাও। সবাই আবার শুটিংয়ে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু এই করোনাকালে গৃহবন্দী দশাতেও নিজেকে চূড়ান্ত ব্যস্ত রেখেছিলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ।

জীবনকে সব সময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে ভালোবাসেন জ্যাকুলিন। তাই জীবনের চরমতম দুঃসময়েও ভেঙে পড়েননি এই বলিউডকন্যা। লকডাউনের সময়ও নিজেকে নানান কাজে ব্যস্ত রেখেছিলেন জ্যাকুলিন। তাই তাঁর কখনোই মনে হয়নি যে লকডাউনে ঘরবন্দী তিনি। এ প্রসঙ্গে জ্যাকলিন বলেন, 'আমি এই সময় নিজেকে দারুণভাবে ব্যস্ত রেখেছিলাম। লকডাউনে নেটফ্লিক্সে আমার ছবি মুক্তি পেয়েছে। প্রচারণা, সালমানের সঙ্গে মিউজিক ভিডিও, বাদশার সঙ্গে গান, ম্যাগাজিনের জন্য শুট, অনলাইন নাচের শোসহ আরও নানান কাজ করেছি। সত্যি আমি এ ক্ষেত্রে ভাগ্যবতী। কখনো উপলব্ধি করিনি যে আমি লকডাউনে আছি।’

জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রামজ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রামজ্যাকুলিন আরও বলেন, ‘আমি এই সময় নিজেকে আরও বেশি করে ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করেছি। গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেছি। স্বাভাবিক জীবনে না ফিরতে পারার যন্ত্রণা প্রত্যেকটা মানুষই অনুভব করেছে। আমি খুবই ভাগ্যবতী যে নিজেকে নানাভাবে ব্যস্ত রাখতে পেরেছি। আমাদের উচিত এই সময়টাকে যতটা সম্ভব গঠনমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করা। এই কঠিন সময় দ্রুতই চলে যাবে। আমরা আবার আমাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরব।’
নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘মিসেস সিরিয়াল কিলার’-এ জ্যাকুলিনকে ধূসর চরিত্রে দেখা গেছে। লকডাউনে একের পর এক হিট মিউজিক ভিডিও উপহার দিয়েছেন তিনি। সালমান খানের সঙ্গে ‘তেরে বিনা’, ‘মেরে অঙ্গনে মে’, এবং ‘গেন্দা ফুল’–এর মতো হিট মিউজিক ভিডিও ছিল তাঁর ঝুলিতে। বর্তমানে অনলাইন নাচের আসর ‘হোম ডান্সার’-এ তিনি সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করছেন।

মারাত্মক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে যায় মাহিমার জীবন

মারাত্মক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে যায় মাহিমার জীবন

মারাত্মক দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে যায় মাহিমার জীবন


মাত্র একটা সিনেমা রাতারাতি তারকা বানিয়েছিল মাহিমা চৌধুরীকে। আর হবে নাই–বা কেন। মাহিমার অভিষেক ছবিতে এক পাশে ছিলেন সুভাষ ঘাইয়ের মতো নামকরা পরিচালক, আরেক পাশে ছিলেন শাহরুখ খানের মতো সুপারস্টার। ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পরদেশ’ ছবির মাধ্যমে বিটাউনে পা রাখেন মাহিমা। তবে কয়েক বছর পর গ্ল্যামার জগৎ থেকে হারিয়ে যান তিনি। সম্প্রতি ২১ বছর পর সেই রহস্য ফাঁস করেছেন ৪৬ বছর বয়সী মাহিমা।

অভিষেক ছবিতেই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান মাহিমা। অনেকের মতে, সুভাষ ঘাইয়ের অন্যতম সেরা আবিষ্কার ছিলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। তবে হঠাৎই বিটাউন থেকে হারিয়ে যান মহিমা। লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। দীর্ঘ ২১ বছর পর তাঁর এই নির্বাসনে যাওয়ার কারণ জানালেন। মাহিমা বলেন, ‘১৯৯৯ সালের আশপাশে প্রকাশ ঝা পরিচালিত “দিল ক্যায়া করে” ছবির শুটিং করছিলাম। ছবিটির প্রযোজক ছিলেন অজয় দেবগন ও কাজল। স্টুডিওতে যাওয়ার পথে বেঙ্গালুরুতে হঠাৎই একটা ট্রাক আমার গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে। এত জোরে ধাক্কা লেগেছিল যে গাড়ির কাচ আমার মুখ ক্ষতবিক্ষত করে দেয়।’

স্মৃতি হাতড়ে ওই দুর্ঘটনার কথা মনে করে আরও বলেন, ‘ওই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছিল যে আমি মারা যাচ্ছি। আশপাশের মানুষ এত ভয় পেয়েছিল যে সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমার মা আর অজয় হাসপাতালে ছুটে এসেছিল। আমি আয়নায় নিজের চেহারা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এরপর আমার বেশ কয়েকটা সার্জারি হয়। ডাক্তার আমার মুখ থেকে ৬৭টা কাচের টুকরো বের করেন।’

মাহিমা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুকমাহিমা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুকমাহিমা আরও বলেন, ‘সার্জারির পর ঠিক হয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। আমি সব সময় ঘরের ভেতরেই থাকতাম। আর তখন বাইরের সূর্যের আলো আমার সহ্য হতো না। ডাক্তার আমাকে বাড়ির বাইরে যেতেও নিষেধ করেছিলেন। তখন আমি নিজেই নিজের মুখ আয়নায় দেখে ঘৃণা করতাম, ভয় করত। আমি এই দুর্ঘটনার কথা ইন্ডাস্ট্রির মানুষকে বলিনি। কারণ, আমার মনে হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রি আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে। আমি হয়তো জীবনে আর কাজ পাব না। তাই আমি চলচ্চিত্রের জগৎ থেকে নিজেকে সাময়িকভাবে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলাম। নিজেকে অন্তরালে রেখেছিলাম। আমার পরিবার তখন আমার পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমাকে শক্তি দিয়েছিল।’

২০০৬ সালে ব্যবসায়ী ববি মুখার্জিকে বিয়ে করেছিলেন মাহিমা। ২০১৩ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁদের এক কন্যা অরিয়ানা মা মাহিমার সঙ্গে থাকে।

খাতা খুলছেন জাহ্নবীর বোন খুশি

খাতা খুলছেন জাহ্নবীর বোন খুশি

খাতা খুলছেন জাহ্নবীর বোন খুশি



বলিউডে জাহ্নবী কাপুরের বয়স মাত্র একটা ছবি। তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘গুঞ্জন সাক্সেনা: দ্য কার্গিল গার্ল’ নেটফ্লিক্সে মুক্তির অপেক্ষায়। এরই মধ্যে জাহ্নবীকে নিয়ে যে পরিমাণ হইচই হয়েছে, তা খুব কম তারকার জন্য ঘটেছে। অবশ্য, শ্রীদেবী আর বনি কাপুরের কন্যা বলে কথা! নতুন কথা হচ্ছে, জাহ্নবী কাপুরের ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন খুশি কাপুরও খাতা খুলতে যাচ্ছেন বলিউডে। ফিল্মফেয়ারকে এমনটাই জানিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এই বড় বোন।

দুই বোন। ছবি: ইনস্টাগ্রামদুই বোন। ছবি: ইনস্টাগ্রামজাহ্নবী জানান, তাঁর ছোট বোন বলিউডের জন্য আরও বেশি ফিট। খুশি কাপুর নাকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আরও ভালো বোঝেন। শুধু তা-ই নয়, ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার খুশির ফ্যাশন সেন্সও নাকি ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার জাহ্নবীর চেয়ে ভালো। ‘বলিউড ডিভা’ হওয়ার সব রকম যোগ্যতাই নাকি সে রাখে। এর আগে এই দুই বোন একটা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেখানে খুশি কাপুরকে জিজ্ঞস করা হয়েছিল, কোন তারকার সঙ্গে তিনি তাঁর প্রথম ছবি করতে চান? আরিয়ান খান, আহান পান্ডে, নাকি মিজান জাফরি? খুশি কাপুরের চটপট উত্তর ছিল, আহান পান্ডে। কেননা, আহান পান্ডেকে তিনি আগে থেকে চেনেন, জানেন, বন্ধুত্ব আছে। তাই প্রথমবারের ভয় ভাগ করে নেওয়ার জন্য আহানই ভালো বিকল্প।

লকডাউনে এই দুই বোনের চমৎকার সময় কাটছে। ছবি আঁকা আর খুনসুটিতে কেটে যাচ্ছে দিন। পুরোনো ছবিও ভাগ করে নিচ্ছেন ভক্তদের সঙ্গে। আর বড় বোন জাহ্নবী কীভাবে চুপচাপ, শান্তশিষ্ট ছোট বোনকে বিরক্ত করছেন, তার কয়েকটা ভিডিও-ও ভাগ করে নিয়েছেন ভক্ত–অনুরাগীদের সঙ্গে।

শাহরুখকে পেতে সালমানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দীপিকা

শাহরুখকে পেতে সালমানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দীপিকা

শাহরুখকে পেতে সালমানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দীপিকা

লকডাউনে নানান কাজের মধ্যে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ফিরে তাকালেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। স্মৃতি হাতড়ে নিজের জীবনের ছোট্ট এক অধ্যায় তুলে ধরেছেন তিনি।

শাহরুখ খানের সঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন দীপিকা। অথচ সালমান খানের সঙ্গে এখনো পর্যন্ত কোনো ছবি করা হয়নি তাঁর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানিয়েছেন যে সালমানের হাত ধরেই বিটাউনে অভিষেক হওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে তিনি অপেক্ষা করেছেন শাহরুখের জন্য।



দীপিকা পাড়ুকোন ও শাহরুখ খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।দীপিকা পাড়ুকোন ও শাহরুখ খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।লকডাউনে নানান কাজের মধ্যে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ফিরে তাকালেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। স্মৃতি হাতড়ে নিজের জীবনের ছোট্ট এক অধ্যায় তুলে ধরেছেন তিনি।

শাহরুখ খানের সঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন দীপিকা। অথচ সালমান খানের সঙ্গে এখনো পর্যন্ত কোনো ছবি করা হয়নি তাঁর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানিয়েছেন যে সালমানের হাত ধরেই বিটাউনে অভিষেক হওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে তিনি অপেক্ষা করেছেন শাহরুখের জন্য।

দীপিকা পাড়ুকোন। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।)দীপিকা পাড়ুকোন। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।)২০০৭ সালে 'ওম শান্তি ওম' ছবির মাধ্যমে হিন্দি ছবির দুনিয়ায় আসেন দীপিকা। ফারাহ খান পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন শাহরুখ খান। তবে শাহরুখ নয়, সালমানের সঙ্গে দীপিকার অভিষেক হওয়ার কথা ছিল। ভাইজানের প্রস্তাব রীতিমতো প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এই বলিউড নায়িকা। দীপিকা তাঁর অভিষেক ছবির প্রসঙ্গে বলেছেন, '“ওম শান্তি ওম” ছবির আগে আমাকে সালমানের একটা ছবির প্রস্তাব দেওয়া হয়।

আমি তখন না করে দিই। কারণ, আমার মন বলছিল, আমি সেই সময় ক্যামেরার সামনে আসার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।' তিনি আরও বলেন, 'সালমানের কাছ থেকেই আমি ক্যারিয়ারের প্রথম ছবির প্রস্তাব পাই। তাই আমি সারা জীবন উনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। আমরা এখনো একসঙ্গে পর্দায় আসিনি। আমার মনে হয় যে আমাদের জন্য বিশেষ কিছু একটা অপেক্ষা করছে।'

দীপিকা পাড়ুকোন ও শাহরুখ খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।দীপিকা পাড়ুকোন ও শাহরুখ খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।জানা গেছে, সালমানের আরও অনেক ছবির প্রস্তাব দীপিকার কাছে ছিল। কিন্তু বলিউডের 'মাস্তানি গার্ল' ভাইজানকে নাকি না করে দিয়েছেন তিনি। কারণ, দীপিকা জোরদার চরিত্র ছাড়া কোনো ছবিতে কাজ করেন না। মনের মতো চরিত্র না পেলে তিনি সাধারণত কাজ করেন না। আর সালমানের ছবিতে নায়িকাদের বিশেষ কিছু করার থাকে না। তাই হয়তো দীপিকা ভাইজানের ছবিতে কাজ করতে

লকডাউন হওয়া এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে

লকডাউন হওয়া এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে

লকডাউন হওয়া এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে


সংক্রমণ বিবেচনায় 'রেড জোন' (লাল বা বিপদজনক এলাকা) ঘোষণা করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এলাকাভিত্তিক ভিন্নমাত্রার লকডাউন ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর লকডাউন হওয়া এলাকাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানা গেছে।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুক্রবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। সভায় কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, মেয়র, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, চাকরিজীবীদের দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতেই লকডাউন করা এলাকায় সাধারণ ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ১ জুন সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকায় ভাগ করে ভিন্নমাত্রায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। অধিক সংক্রমিত এলাকাকে বিশেষ ভাবে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সম্মতি দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব রাজাবাজারে গত মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে লকডাউন শুরু হয়। কড়াকড়িতে শুক্রবার তৃতীয় দিন পার হলো।

এর মধ্যেই শুক্রবার দেশের করোনা মহামারির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়াদের একজন প্রথম আলোকে বলেন, সংক্রমণ বেশি থাকা আরও বিভিন্ন এলাকায় শিগগির লকডাউন হবে। তবে ওই সব এলাকার নাম বেশি আগে ঘোষণা দেওয়া হবে না। আগ মুহুর্তে নাম ঘোষণা করা হবে। কারণ বেশি আগে ঘোষণা করলে ওই এলাকার অনেক মানুষ এমনকি আক্রান্ত ব্যক্তিরাও অন্যত্র চলে যেতে পারে, যা ঝুঁকি বাড়বে। আর যেহেতু এখন লকডাউন এলাকায় বাজার-সদাইসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাখা হচ্ছে, ফলে আগ মুহুর্তে ঘোষণা করলেও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

এ ছাড়া শক্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে একটি এলাকার কেবল বেশি সংক্রমিত অংশকেই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

বৈঠকে অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, পুরো ওয়ার্ড না করে কোনো ওয়ার্ডের যে অংশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বিপদজনক বা রেড মাত্রায় পৌঁছেছে, শুধু সেই এলাকায় লকডাউন করলে কাজের চাপ কম হবে। আর সারাদেশে যখন এলাকাভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা করা হবে তখন সব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ন্যস্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। সে জন্য জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এটি কার্যকর করা সহজ হবে। ত্রাণবিতরণসহ বিভিন্ন সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিগুলোকে সক্রিয় করে লকডাউনের বিধিবিধান বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিলে তা অধিক কার্যকর হবে বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। এ ছাড়া এসব এলাকায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য 'অ্যাম্বুলেন্স সেল' করে তাৎক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কনফারেন্সে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ , জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউসসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 ট্রাম্পকে বাংকারে গিয়ে লুকাতে বললেন সিয়াটলের মেয়র

ট্রাম্পকে বাংকারে গিয়ে লুকাতে বললেন সিয়াটলের মেয়র


ট্রাম্পকে বাংকারে গিয়ে লুকাতে বললেন সিয়াটলের মেয়র

যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। এই বিক্ষোভ দমাতে ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে সেনাবাহিনী পাঠানোর হুঁশিয়ারি দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই হুঁশিয়ারির পর শহরের মেয়র জেনি ডারকান বলেছেন, সিয়াটল অনেক নিরাপদ আছে। বিক্ষোভকারীদের ভয়ে ট্রাম্প বাংকারে লুকাতে পারেন।খবর  রয়টার্স ও এএফপির। 

গত ২৫ মে ফ্লয়েড নিহত হওয়ার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বর্ণবাদীবিরোধী বিক্ষোভে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের খুব কাছে পৌঁছে যান। ওই সময় সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসের বাংকারে নিয়ে যান।

ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প একের এক বিতর্কিত মন্তব্য করেন, যা বিক্ষোভকে আরও উসকে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার সিয়াটলের পরিস্থিতি নিয়ে টুইট করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, শহরটির পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছেন বিক্ষোভকারীরা। ‘পুলিশমুক্ত শহরটির’ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সেনা মোতায়েনের হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, ‘এটা খেলা নয়, অনেক হয়েছে। এখনই দ্রুত এসব কুৎসিত নৈরাজ্যবাদীকে থামাতে হবে।’

ট্রাম্পের ওই হুমকির জবাবে বৃহস্পতিবার বেশ বিদ্রূপাত্মকভাবে দিয়েছেন মেয়র জেনি ডারকান। তিনি টুইট করেন, ‘সবাই নিরাপদে আছে। আপনি আপনার বাংকারে ফিরে যান।’ ট্রাম্পকে বিদ্রূপ করতে টুইটারে যোগ দেন ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর জে ইনসেলও। তিনি বলেন, ‘সরকার চালাতে পুরোপুরিভাবে অক্ষম একজন ব্যক্তিকে ওয়াশিংটন রাজ্য নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে।’

ট্রাম্পের হুমকির বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন মেয়র ডারকান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিয়াটলে যে সেনা পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন, তা পুরোপুরি অসাংবিধানিক ও অবৈধ। সিয়াটল দখল হয়ে যাওয়ার মতো কোনো হুমকি এখানে নেই।

সিয়াটলের ক্যাপিটল হিল অটোনোমাস জোনে (সিএইচএজেড) জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছে শত শত মানুষ। এই বিক্ষোভের পেছনে নৈরাজ্যবাদী ও দেশীয় সন্ত্রাসীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ ট্রাম্পের। তবে সিয়াটলের কর্মকর্তারা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সিএইচএজেড এলাকায় তাঁবু টাঙানো রয়েছে।

করোনার বিস্তার কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় মাস্ক

করোনার বিস্তার কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় মাস্ক

করোনার বিস্তার কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় মাস্ক





সারা বিশ্বে মহামারি হয়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনের চেয়েও সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হলো মাস্ক ব্যবহার করা। কারণ করোনাভাইরাস মূলত বাতাসে ড্রপলেটস বা মুখ থেকে নিঃসৃত মিহি জলকণার মাধ্যমে ছড়ায়। আর মাস্ক ব্যবহার করলে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় বলে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ জুন প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে এই গবেষণাবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান দিয়েগো ও ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোজলির পাঁচজন গবেষক এই গবেষণাটি করেছেন।


প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা ইতালি ও নিউইয়র্কে করোনা রোধে মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করার আগে ও পরের করোনা সংক্রমণের হারের তুলনা করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, দুই জায়গায়ই মানুষ বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহারের পর থেকে সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে। গবেষকেরা বলছেন, মাস্ক ব্যবহারের কারণেই ইতালিতে গত ৬ এপ্রিল ও ৯ মে ৭৮ হাজারের বেশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করা গেছে। আর ১৭ এপ্রিল ও ৯ মে নিউইয়র্কে ৬৬ হাজারের বেশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করা গেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিকে করোনার বিস্তার প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো, ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা। ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এর পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, কোয়ারেন্টিন ও কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করে কোভিড-১৯–এর প্রতিরোধে কাজ করেই যেতে হবে।

গবেষকেরা বলেছেন, মানুষের হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সামনে থাকা মানুষের কাছে সরাসরি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। আবার মানুষের হাঁচি-কাশি থেকে বের হওয়া ড্রপলেট বাতাসে ভাসতে ভাসতে নিচে পড়ে যায়। ছোট্ট এই ড্রপলেটকে বলে অ্যারোসল। এই অ্যারোসল মানুষের পায়ে পায়ে বা বাতাসে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। পরে তা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকেরা করোনার এপিকসেন্টার উহান, চীন, ইতালি ও নিউইয়র্ক সিটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করেছেন। কখন বা সংক্রমণ শুরু হওয়ার কত দিন পর এসব স্থানে পরীক্ষা বাড়ানো, কোয়ারেন্টিন, সংস্পর্শ শনাক্ত, সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তার ওপর সংক্রমণের হার নির্ণয় করেছেন গবেষকেরা।

দেখা গেছে, চীনে করোনা প্রতিরোধে এসব প্রায় একই সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তবে ইতালি ও নিউইয়র্কে তা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়। ইতালি ও নিউইয়র্ক সিটিতে যখন থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তখন থেকেই করোনার সংক্রমণের হার নিম্নমুখী হওয়া শুরু করেছে। এটা ইতালিতে লকডাউন শুরু হওয়া বা নিউইয়র্কে স্টে হোম অর্ডার কাযর্কর হওয়ার কারণে হয়নি, হয়েছে মাস্ক ব্যবহারের কারণেই।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা প্রতিরোধে ইতালির উত্তরাঞ্চলে ৬ এপ্রিল থেকে মাস্ক পরা শুরু হয়। আর সারা দেশে ৪ মে থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়। নিউইয়র্ক সিটিতে ১৭ এপ্রিল থেকে মাস্ক ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। গবেষকেরা এই তারিখগুলোতে করোনার সংক্রমণের হার বিশ্লেষণ করেছেন।

গবেষকেরা বলেছেন, মুখমণ্ডল ঢেকে মাস্ক ব্যবহারে সরাসরি ড্রপলেট বা বাতাসে ভাসা জলকণা থেকে করোনা সংক্রমণ ও অ্যারোসল থেকে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়। অন্যদিকে সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন ও হাত স্যানিটাইজ করা সরাসরি ড্রপলেট বা বাতাস থেকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন করোনাভাইরাসের কন্ট্যাক্ট ট্রান্সমিশন প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়েছে। তবে দুই সংস্থাই বায়ুবাহিত সংক্রমণের পথটাকে উপেক্ষা করছে।

নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্ক সিটিতে প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার ৮৪৬ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছে। আর নিশ্চিত করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৩৫১ জনের, এর সঙ্গে আরও ৪ হাজার ৬৯২ জনের সম্ভাব্য করোনায় মৃত্যু হয়েছে। নগরে সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার এপ্রিলের শুরু থেকে নিম্নমুখী হওয়া শুরু করে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৮ জুন থেকে লকডাউন তুলে প্রথম ধাপে নিউইয়র্ক সিটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

ইতালিতে ৯ মার্চ থেকে লকডাউন কার্যকর ছিল।